কংগ্রসের কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন করার অধিকার নেই, কারন এই সমস্যার জনক নেহেরু।







পুলওয়ামা হামলার পর কাশ্মীরে জনসভা করে কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। লোকসভা নির্বাচনের আগে জম্মুতে প্রচারে গিয়ে শাহ বলেন, বিজেপির স্থিরপ্রকল্প এটাই যে কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ এবং কেউ এটাকে ছিনিয়ে নিতে পারবে না। শাহ বলেন, পুলওয়ামা হামলায় আমাদের চল্লিশ জনের বেশি সিআরপিএফ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এঁদের আত্মবলিদান বৃথা যাবে না। সেজন্যই সেনাকে যা খুশি করার ছাড় দেওয়া হয়েছে। আগের সরকার অনেক বেশি কথা বলেছে, কাগজে-কলমে প্রকল্প তৈরি করেছে। অথচ কৃষকদের জন্য কিছু করেনি। এই দাবি করে শাহ বলেন, কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। কেউ এটাকে ছিনিয়ে নিতে পারবে না। কংগ্রেস ও রাহুল গান্ধীকে আক্রমণ করে শাহ বলেন, রাহুল কাশ্মীরের অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। আমি তাঁকে বলতে চাই, আজ কাশ্মীর নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তা হচ্ছে আপনার ঠাকুরদা জওহরলাল নেহরুর জন্য। যখন আমাদের সেনা পাক অধীকৃত কাশ্মীর দখল করতে গিয়েছিল, তখন নেহরুই বাধা দিয়ে তা আটকেছিলেন।

৭৫ হাজার কোটি টাকার কিষাণ যোজনার প্রকল্পের ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী।






২০১৯-২০ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তী বাজেটে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়। প্রকল্প অনুয়ায়ী কৃষকদের বছরে ছ'হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। প্রায় ১২ কোটি প্রান্তিক কৃষক এই পরিষেবা পাবে।  গতকাল প্রধানমন্ত্রী টুইট করেন, "আগামীকাল একটি ঐতিহাসিক দিন। গোরখপুরে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধি যোজনার উদ্বোধন হবে। এই প্রকল্প কৃষকদের আশা, আকাঙ্খা পূরণ করবে।

দুষ্কৃতি নয়, মাধ্যমিক পরিক্ষার্থীর ব্যাগ থেকে উদ্ধার হল বোমা, পুলিশের কপালে চিন্তার ভাজ।






আজ পশ্চিমবঙ্গ মাদ্রাসা শিক্ষা পর্ষদের ইসলামিক পরিচয় পরীক্ষা ছিল। ওই কিশোর মুন্সিরহাট ছাদেকিয়া হাই মাদ্রাসার মাধ্যমিকের ছাত্র। তার পরীক্ষার সেন্টার পড়েছিল দিনহাটা জোড়পাকুড়ি হাইস্কুলে। সে পরীক্ষা দিয়ে বাড়ি ফিরছিল। তার সঙ্গে ছিল আরও দু'জন। তাদেরই মধ্যে একজন ব্যাগে বোমা দেখতে পায়। সে চিৎকার করে ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দারা এসে দেখে, সত্যি সত্যিই বোমা রয়েছে ব্যাগে। তারাই পুলিশে খবর দেন।  খবর পেয়ে ঘটনাস্থানে আসে দিনহাটা থানার পুলিশ। তারা ওই কিশোরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। তবে তার ব্যাগে কতগুলো বোমা ছিল তা এখনও জানা যায়নি।

শহিদ জাওয়ানদের স্মরণ সভায় নোট ওড়াতে দেখা গেল কংগ্রেসি কর্মীদের।





শহীদদের স্মরণসভা। পুলওয়ামা জঙ্গিহানায় শহীদ জওয়ানদের শেষ শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে হাজির হয়েছিলেন কংগ্রেসের নেতা-মন্ত্রীরা। আবেগঘন পরিবেশের মাঝে হঠাত্ অদ্ভুত এক কাণ্ড। অতি উৎসাহী কিছু কংগ্রেস কর্মী গোছা গোছা টাকা ছুঁড়তে শুরু করলেন কংগ্রেস নেতা বীরেন্দ্র রাওয়াতের দিকে। শুক্রবার উত্তরাখন্ডের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিন্দার ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। সংবাদসংস্থা এ.এন.আই ভিডিয়োটি পোস্ট করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, গদগদ মুখে দাঁড়িয়ে আছেন উত্তরাখন্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হরিশ রাওয়াতের ছেলে কংগ্রেস নেতা বীরেন্দ্র রাওয়াত। দুইপাশে মালা গলায় দাঁড়িয়ে আরও দুই দলীয় নেতা। শহীদদের স্মরণে গান-বাজনা চলছিল। হঠাতই কিছু কংগ্রেস কর্মী হাতে নোটের বান্ডিল নিয়ে এগিয়ে এলেন। পালা করে গোছা গোছা টাকা ওড়াতে শুরু করলেন দলীয় নেতার দিকে।

নেতা বীরেন্দ্র রাওয়াতকেও হাসি হাসি মুখে কর্মীদের উৎসাহ উপভোগ করতে দেখা গেল। গায়কদের দিকে আদাব করতেও দেখা গেল তাঁকে। এর আগে উত্তরপ্রদেশে বিজেপি সাংসদ সাক্ষী মহারাজকে শহীদ জওয়ানের শেষযাত্রায় গাড়ির ছাদে দাঁড়িয়ে হাসতে এবং হাত নাড়তে দেখা যায়। সেই ভিডিয়োকে কেন্দ্র করে তীব্র সমালোচনা হয়েছিল দেশজুড়ে। এরপর দলের হেভিওয়েট নেতার এহেন আচরণ নিঃসন্দেহে অস্বস্তিতে ফেলেছে কংগ্রেসকে। যদিও নিজের আচরণ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি কংগ্রেস নেতা। উল্টে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সমালোচনা করেন তিনি। তিনি বলেন, "পুলওয়ামার যুদ্ধে মৃত সৈনিকদের শ্রদ্ধা জানাতে এই অনুষ্ঠান! ৫৬ ইঞ্চি ছাতির ঘুমন্ত সিংহকে জাগাতে এই প্রচেষ্টা। শত্রুদের যোগ্য জবাব দেওয়া উচিত।"   

মাত্র ১ ঘণ্টায় ৩ কোটি টাকা অনুদান! নজির ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীর

  মাত্র এক ঘণ্টায় সাড়ে চার লক্ষ ডলার সংগ্রহ করলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন শিল্পপতি বিবেক রামাস্বামী (Vivek Ramaswamy)। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ...